বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা হবে স্মার্ট বাংলাদেশ : পলক
২০৪১ সালের মধ্যে প্রযুক্তি ব্যবহার করে বৈষম্যমুক্ত অন্তর্ভূক্তিমূলক স্মার্ট সমাজ গড়ে তুলতে চায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার। যেই সমাজের প্রতিটি নাগরিক হবে বঙ্গবন্ধুর সোনার মানুষ যারা হবেন সমস্যার সমাধানকারী প্রগতিশীল, উদ্ভাবনী ও সৃজনশীল দেশপ্রেমিক। এই সমাজে সরকার থাকবে জনগণের হাতের মুঠোয়। সকল কাজ ও বিনিময় হবে কাগজবিহীন।
আগামী ৫-৭ অক্টোবর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠেয় স্মার্ট বাংলাদেশ সামিটে তুলে ধরা হবে সেই স্মার্ট বাংলাদেশের করণীয় বিষয়। ১৫ জন মন্ত্রীর নেতৃত্বে সেই পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন কাজ সম্পাদিত হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।
বৃহস্পতিবার রাতে স্মার্ট বাংলাদেশ সামিট ২০২৩ এর স্পন্সর নাইটে দেয়া প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমনটাই তুলে ধরেছেন প্রতিমন্ত্রী।
তিনি জানিয়েছেন, আগামী অল্প দিনের মধ্যেই আমরা একটি প্রেগনেন্সি মনিটরিং সফটওয়্যার উন্মুক্ত করবো। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় উচ্চগতির ইন্টারনেট সংযোগে দেশের ১৪ হাজার কমিউনিটি হেলথ সেন্টারে রিমোট ডিজিটাল ডিভাইস পৌঁছে দেয়া হবে। টেলিমেডিসিন সেবার মাধ্যমে তাদেরকে গ্রামে বসেই রাজধানীর মতো আধুনিক স্বাস্থ্য সেবা দেবে।

পলক আরো বলেন, “আমাদের শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতি এবং মাটি ও মানুষকে কেন্দ্র করে একটি নতুন অর্থনৈতিক মডেল তৈরি করতে চেয়েছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা ও সেই অর্থনৈতিক মডেলই হচ্ছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ‘স্মার্ট বাংলাদেশঃ রূপকল্প ২০৪১’। যার ৪টি মূল স্তম্ভ হবে স্মার্ট নাগরিক, স্মার্ট অর্থনীতি, স্মার্ট সমাজব্যবস্থা ও স্মার্ট সরকারব্যবস্থা। যেখানে প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করে একটি বৈষম্যহীন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠন করতে চান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা। আমাদের অর্থনীতি ব্যবস্থা হবে ক্যাশলেস; সরকার ব্যবস্থা হবে কাগজবিহীন ও স্বয়ংক্রিয়। সরকারের কোন সেবা নিতে নাগরিক কোন দপ্তরে যেতে হবে না, সরকার থাকবে জনগণের হাতের মুঠোয়। আমাদের আগামীর স্মার্ট বাংলাদেশের সরকারব্যবস্থা হবে স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও প্রযুক্তিনির্ভর; যখন যেখানে দরকার, সেখানেই থাকবে স্মার্ট সরকার।”
রাজধানীর শাহবাগে হোটেল ইন্টার কন্টিনেন্টালে অনুষ্ঠিত স্পন্সর ও মিউজিক নাইটে অন্যান্যের মধ্যে আইসিটি সচিব মোঃ সামসুল আরেফিন, বিসিসি নির্বাহী পরিচালক, আইসিটি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোস্তাফা কামাল উদ্দীন, বিসিসি নির্বাহী পরিচালক রণজিৎ কুমার, হাইটেক পার্ক কতৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম জাফর উল্লাহ, স্টার্টআপ বাংলাদেশ ব্যবস্থাপনা পরিচালক সামি আহমেদ, ওয়ালটন ডিজিটেক ইন্ডাস্ট্রিজ উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী লিয়াকত আলী, ফাইবার অ্যাট হোম চেয়ারম্যান মঈনুল ইসলাম, আইএসপিএবি সাধারণ সম্পাদ নাজমুল করিম ভূঁইয়া, বাক্কো সাধারণ সম্পাদক তৌহিদ হোসেন, বেসিস পরিচালক আবু দাউদ খান, উই ট্রাস্টের উপদেষ্টা জাহানুর কবির সাকিব প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।







